আবরারের সেই স্ট্যাটাস, যে ফেসবুক স্ট্যাটাসের কারণে কুষ্টিয়া শহর থেকে বিশাল স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশের দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মেধাতালিকায় স্থান পেয়ে স্বপ্ন পূরণ চেষ্টায় মগ্ন ভাইটির বাকরুদ্ধ, স্পন্দনহীন অবস্থায় মায়ের কোলে ফিরে যেতে হলো।
আজ আবরার কিছু মানুষ্যত্বহীন, মানব চেহারার হায়নাদের প্রচন্ড নির্যাতনের শিকার , যা কোন হিংস প্রাণীও একই প্রণীর সাথে কখনো করে না। কী অমানবিক নির্যাতন আমরা করতে পারি, আমরা কি সৃষ্টির শ্রেষ্ঠজীব হয়েও ভানবে পারিনা, এমন অমানবিক জুলুমের শিকার আমি, আমার ঘরের চোট্ট আদরের বোনেরও হতে পারে, ভাইয়ের সাথে পারে,, একজন তার মতকে প্রকাশ করতে কেনো পারবে না।।কেন সে পারবেনা তার জন্মভূমিতে তার মাতৃভুমির কথা বলতে, তার মায়ের পক্ষে কথা বলতে, কেনো বাকরুদ্ধ অবস্থায় আমাদের থাকতে হবে।। "এমন স্ট্যাটাসের কারণে যদি স্পন্দনহীন হৃদয় নিয়ে মায়ের কোলে যেতে হয়। তাহলে কখনোই সৃষ্টি হবেনা সোনার সন্তান, সৃষ্টি হবে আর কোন গান, সৃষ্টি হবে না আর কোন মায়ের দুর্বার সাহসী নর। কোন মখে আর হাসবেনা, মায়ের হাঁটুর নিচের বালিশের মাথা রেখে ঘুম পারানি গানে। চাঁদ মামা আর আসবে না টিপ দিতে, আসবে না খৈ নিতে। নিবেনা আর কোনো মাছের মাথা। #"""আবরারের_স্ট্যাটাস। হুবহু "" (যে স্ট্যাটাসের কারণে কঠিন আঘাত সইতে হয়েছে। নাহ সয্য করতে না পেয়ে তার মায়ের বুক খালি করে চলে গেছে) 1, “৪৭ এ দেশভাগের পর দেশের পশ্চিমাংশে কোন সমুদ্রবন্দর ছিল না। তৎকালীন সরকার ৬ মাসের জন্য কলকাতা বন্দর ব্যবহারের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ করল। কিন্তু দাদারা নিজেদের রাস্তা নিজেদের মাপার পরামর্শ দিছিলো। বাধ্য হয়ে দুর্ভিক্ষ দমনে উদ্বোধনের আগেই মংলা বন্দর খুলে দেওয়া হয়েছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ ইন্ডিয়াকে সে মংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য হাত পাততে হচ্ছে। 2, কাবেরি নদীর পানি ছাড়াছাড়ি নিয়ে কানাড়ি আর তামিলদের কামড়াকামড়ি কয়েকবছর আগে শিরোনাম হয়েছিল। যে দেশের এক রাজ্যই অন্যকে পানি দিতে চাই না সেখানে আমরা বিনিময় ছাড়া দিনে দেড়লাখ কিউবিক মিটার পানি দিব। 3,
কয়েকবছর আগে নিজেদের সম্পদ রক্ষার দোহাই দিয়ে উত্তরভারত কয়লা-পাথর রপ্তানি বন্ধ করেছে অথচ আমরা তাদের গ্যাস দিব। যেখানে গ্যাসের অভাবে নিজেদের কারখানা বন্ধ করা লাগে সেখানে নিজের সম্পদ দিয়ে বন্ধুর বাতি জ্বালাব।
হয়তো এসুখের খোঁজেই কবি লিখেছেন-
“পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি
এ জীবন মন সকলি দাও,
তার মত সুখ কোথাও কি আছে
আপনার কথা ভুলিয়া যাও। ”
আজ আবরার কিছু মানুষ্যত্বহীন, মানব চেহারার হায়নাদের প্রচন্ড নির্যাতনের শিকার , যা কোন হিংস প্রাণীও একই প্রণীর সাথে কখনো করে না। কী অমানবিক নির্যাতন আমরা করতে পারি, আমরা কি সৃষ্টির শ্রেষ্ঠজীব হয়েও ভানবে পারিনা, এমন অমানবিক জুলুমের শিকার আমি, আমার ঘরের চোট্ট আদরের বোনেরও হতে পারে, ভাইয়ের সাথে পারে,, একজন তার মতকে প্রকাশ করতে কেনো পারবে না।।কেন সে পারবেনা তার জন্মভূমিতে তার মাতৃভুমির কথা বলতে, তার মায়ের পক্ষে কথা বলতে, কেনো বাকরুদ্ধ অবস্থায় আমাদের থাকতে হবে।। "এমন স্ট্যাটাসের কারণে যদি স্পন্দনহীন হৃদয় নিয়ে মায়ের কোলে যেতে হয়। তাহলে কখনোই সৃষ্টি হবেনা সোনার সন্তান, সৃষ্টি হবে আর কোন গান, সৃষ্টি হবে না আর কোন মায়ের দুর্বার সাহসী নর। কোন মখে আর হাসবেনা, মায়ের হাঁটুর নিচের বালিশের মাথা রেখে ঘুম পারানি গানে। চাঁদ মামা আর আসবে না টিপ দিতে, আসবে না খৈ নিতে। নিবেনা আর কোনো মাছের মাথা। #"""আবরারের_স্ট্যাটাস। হুবহু "" (যে স্ট্যাটাসের কারণে কঠিন আঘাত সইতে হয়েছে। নাহ সয্য করতে না পেয়ে তার মায়ের বুক খালি করে চলে গেছে) 1, “৪৭ এ দেশভাগের পর দেশের পশ্চিমাংশে কোন সমুদ্রবন্দর ছিল না। তৎকালীন সরকার ৬ মাসের জন্য কলকাতা বন্দর ব্যবহারের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ করল। কিন্তু দাদারা নিজেদের রাস্তা নিজেদের মাপার পরামর্শ দিছিলো। বাধ্য হয়ে দুর্ভিক্ষ দমনে উদ্বোধনের আগেই মংলা বন্দর খুলে দেওয়া হয়েছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ ইন্ডিয়াকে সে মংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য হাত পাততে হচ্ছে। 2, কাবেরি নদীর পানি ছাড়াছাড়ি নিয়ে কানাড়ি আর তামিলদের কামড়াকামড়ি কয়েকবছর আগে শিরোনাম হয়েছিল। যে দেশের এক রাজ্যই অন্যকে পানি দিতে চাই না সেখানে আমরা বিনিময় ছাড়া দিনে দেড়লাখ কিউবিক মিটার পানি দিব। 3,

Comments
Post a Comment